বিসমিহী তায়ালা
কথাগুলো লিখতে চেয়েছিলাম না, কিন্তু কিছু আলেম বিদ্বেষীদের জন্য লিখতে বাধ্য হলাম।
মাঝে মাঝেই বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসে মাদ্রাসার হুজুর তার ছাত্রের সাথে বলাৎকার করেছে দুঃখিত এরকম ভাষা ব্যবহার করার জন্য। কিন্তু একটা বার কি খেয়াল করেছেন? এ সমস্ত খবর আসার কারণে সুন্নিরা আলেম সমাজকে কি পরিমান গালি দেয়? তাদের কথা না হয় বাদই দিলাম সাধারণ মানুষ যারা আছেন, যারা ছেলেদেরকে বড় আলেম বানানোর স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু এই সমস্ত নিউজ দেখার পর ভয়ে আত্মসম্মানবোধে নিজের ছেলেকে মাদ্রাসায় দিতে চায়না, তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়, সাথে সাথে ওলামায়ে কেরামের প্রতি জন্ম নেয় প্রচন্ড আকারে ঘৃণা।
এবার আসুন জেনে নেই যে শিক্ষকগণ তাদের ছাত্রদের সাথে বলাৎকার করে আসুন জেনে নেই আমাদের মাথার তাজ যাত্রাবাড়ীর শায়খ মাওলানা মাহমুদুল হাসান এর মুখ থেকে- তিনি তার মাদ্রাসার একটি ঘটনাকে তার মসজিদের বয়ান করেছিলেন যার সারমর্ম হলো, একজন ছাত্রের মতিগতি ভাল ছিলনা, তার আচার-আচরণ হুজুরদের যথেষ্ট সন্দেহের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল তৎক্ষণাৎ ছাত্রকে বড় হুজুরের কাছে নিয়ে আসা হয় অনেকক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সেই ছেলে রাজি হয় যে সে একজন হিন্দু। পরবর্তীতে তাকে অনেকক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর আরো জানতে পারা যায় যে এই মাদ্রাসায় আরো 10 জন ছাত্র এমন আছে যারা হিন্দু,।
-হুজুর তখন তাকে জিজ্ঞেস করেন আর নয় জন ছেলে কে কে তাদেরকে আমার সামনে হাজির করো।
-তখন ঐ হিন্দু ছাত্রটি বলেন আমাকে আপনার কাছে আসা দেখে ওরা সকলেই পালিয়ে গেছে।
তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও তোমরা কেন মাদ্রাসায় পড়তে এসেছো?
উত্তরে তখন সে বলে আমি সহ যারা সারা বাংলাদেশে মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে তাদের একটা উদ্দেশ্য কওমি ওলামায়ে কেরামের দুর্নাম যাতে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। তার জন্য সকল ধরনের অপরাধ তারা করে থাকেন এবং পরবর্তীতে বিচারের আওতায় নেওয়া হলে তাদের সংগঠনের মাধ্যমে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।
উপরোক্ত ঘটনা থেকে অবশ্যই এতক্ষণে বুঝে গেছেন এই সমস্ত কাজ কারা করে থাকেন? সুতরাং প্রত্যেকটি জায়গায় এ ব্যাপারে সকলেই সতর্ক থাকুন এবং মানুষকে এ ব্যাপারে বুঝান।
একটা কথা মনে রাখবেন। ইহুদি, খ্রিস্টান ,হিন্দু সকলেরই একটাই চাওয়া যাতে করে মুসলমানদেরকে নিঃশেষ করা যায়। আর মুসলমানদেরকে নিঃশেষ করতে হলে সর্বপ্রথম মাদ্রাসার দিকে আঙ্গুল তুলতে হবে।সুতরাং সকল ওলামায়ে কেরাম এবং ছাত্র ভাইয়েরা সাবধান!
এ সমস্ত ঘটনা যত জায়গায় হচ্ছে আমাদের হক্কানী আলেম গন লজ্জায় কোন উত্তর দিতে পারতেছে না। যার দরুন বাতিলরা ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে ইচ্ছে মত সমালোচনা করে যাচ্ছেন। যা আমাদের এই ইলমে লাইনের সকলের জন্য বড় ক্ষতি।
আল্লাহতালা সকলকেই বুঝে তদনুযায়ী আমল করার তৌফিক নসিব করেন। আমীন।