ভিপি নুর ভাইয়ের সাথে আন্দোলনে গেলেই নাকি মাইর খাওয়া লাগে তাই আগামীকাল ২৫ মার্চ সকাল ১১টায়
পল্টনে মাইর খাওয়ার জন্য নুরু ভাইয়ের ডাকে মোদি বিরুধী আন্দোলনে শরীক হব আমাদের মাইরের বিনিময়েও যদি কসাই মোদি এদেশে না আসে তবে আমরা সফল!
আরেকটা বিষয় ব্যানারটা কে ধরে আছে..? নেতৃত্ব কে দিচ্ছে..? সেটা না দেখে ব্যানারে কি লিখা আছে সেটা ভেবে মুসলিমদের রক্তে রঞ্জিত মোদি বিরুধী এই ঈমানী আন্দোলনে সকলেই শরীক থাকবেন ইনশাআল্লাহ!
ময়দানে হুংকার দিলাম মোদিকে আসতে দেওয়া হবে না জুতা আর ঝাড়ু প্রস্তুত অথচ এখন বলব আমরা কি সরকারের সাথে যুদ্ধ করব..?
তবে কি সরকার অনুমতি দিলে আমরা বাঘ না দিলে……..
অনেকে যুক্তি দিচ্ছে ছাত্রদের পরীক্ষা এই সেই আরে ভাই কি বলতেছেন বুঝে বলতেছেন নাকি কাউকে খুশি করার জন্য অন্ধভক্তের মত হয়ে গেছেন..?
শুনেন আপনাদের কথায় ত বুঝা যায় আমরা যারা ময়দানে হুংকার দিয়েছিলাম মোদি আসলে জুতা ঝাড়ু
রেডি আছে এয়ারপোর্ট ঘেরাও করা হবে কেয়ামত হবে তার মানে আপনাদের কথা অনুযায়ী বলতে হয় আমরা মনে হয় জানতামই না ছাত্রদের পরীক্ষা আছে জানলে হয়তো বলতাম না,নাকি এটা শুধুই খালি মাঠে গোল দেওয়া..?জানি সরকার এই ইস্যুতে হার্ড লাইনে যাবে তবুও মোদিকে আনবেই!
সরকার হার্ডলাইনে যাবে প্রশাসন এয়ারপোর্ট অভিমুখে যেতে দিবে না,যেতে বাঁধা দিত!জাতি দেখত আমরা আমাদের কথা রেখেছি আমরাও ঘরে চলে আসতাম নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারতাম!
আচ্ছা সব বাদ দিলাম সংবাদ সম্মেলন করে মোদির বিরুদ্ধে কর্মসূচি নেই এই কথা বলে কি করে আমরা অগ্রিম ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিলাম.?এখন ত সরকার নিশ্চিন্ত মোদিও নিরাপদ,তাহলে এই কথিত সংবাদ সম্মেলন গুলোর কি খুব প্রয়োজন ছিল.?
আসলে আমরা কাকে খুশি করছি..?যাদের বিরুদ্ধে এতদিন হুংকার দিলাম তাদেরকেই নয়তো..?
এ জন্যই আল্লাহর উপর ভরসা করে নুরু ভাইয়ের ব্যানারে হলেও এই আন্দোলনে আমি শরীক থাকব
আমি এটাও জানি ভিপি নুরের সাথে আন্দোলনে শরীক হয়ে মাইর খেয়ে জেলে গেলে হয়তোবা কেউ আমাদের ব্যাপারে কথা বলবে না,কেউ কথা না বললেও আমাদের কোন কিছু যায় আসে না!
কে আমার পক্ষ নিবে এগুলো চিন্তা করে কথা বলিনা আমি আমার আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্যই কথা বলতে চাই!
মুক্ত থেকে কসাই মোদিকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেখার চেয়ে জেলে চলে যাওয়া অনেক ভাল।